Bollywood Movies

Action Movies

Dhallywood Movie

Animation Movies

Comedy Movies

Hindi Movies



 মুভির নামঃ '96'

 রেটিংঃ IMDb rating : 8.7/10 
Personal Rating : 7 

কিছু মুভিকে রেটিং দেয়া সম্ভব না।এগুলো রেটিং এর উর্ব্ধে হয়।
 জীবনে কাউকে নিজের থেকে বেশি ভালোবেসে ফেলেছেন? তাকে মনের কথা কখনো বলতেই পারেন নি? ওই মানুষটার জন্যই সারাজীবন একেলা থাকার কথা ভাবতে পারেন? জীবনের কোন এক বাঁকে তার সাথে দেখা হয়ে গেলে কি নিজেকে সামলাতে পারবেন? বা আপনার না বলা ভালোবাসার কথা যখন সে জানতে পারে সে কি পারবে নিজেকে সামলাতে? আমি সাধারণত কাঁদি না।কান্না আসে না আমার। তার মানে এই না যে আমি একেবারেই কাঁদি না। কাঁদি না বললাম এই কারনে যে,গত দুই বছরে শত বিপদ আর কষ্টের মাঝেও আমার কান্না আসে নি। এর মাঝে আমি অসংখ্য বার আমার মাকে কাঁদতে দেখেছি,বাবাকে প্রচন্ড কষ্টের মাঝে দেখেছি এবং নিজেও ভয়ানক সময় অতিবাহিত করেছি। প্রিয় মানুষগুলোও যখন ছেড়ে গেছে আমাকে তখনো কাঁদি নি। তাহলে এই পোস্ট কেন?? কারন আছে।আমিও কাঁদি..... ★ লাস্ট কবে কেঁদেছি? - November 2018 ★ কাঁদার কারন? - মুভি। নামঃ '96 মুভিটার শেষের ৩০ মিনিট দেখে হাউমাউ করে কেঁদেছি।মুভি শেষ হওয়ার পরও কাঁদছিলাম আমি। আমি যেন আমার আমিকেই দেখতে পাচ্ছিলাম মুভিটির ভেতর। তারপর গত বছরের শেষ নাগাদ দেখলাম এটার হিন্দি ডাবড বের হয়েছে।সবাইকে তখন দেখলাম এটা নিয়ে খুব মাতামাতি করতেসে।মাত্র ৪ দিনেই ইউটিউবে প্রায় ৫ মিলিয়নের বেশি ভিউও হয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু ২য় বার দেখার মত আর সাহস হয় নি আমার। কিছু কিছু মুভি বাস্তবের চেয়ে বেশি বাস্তব হয়ে যায়। কিছু কিছু মুভি দেখলে মনেহয়,সরাসরি কোন মানুষের জীবন থেকে কপি পেস্ট করা হয়েছে। ’96 কে আমার সেই ধরনের মুভি মনেহয়। অভিনয়ঃ মুভিটির কেন্দ্রীয় পুরুষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সেথুপতি। যদিও উনার হিট মুভির সংখ্যা খুব কম কিন্তু Vikram Vedha দেখার পর আমি স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। এই মুভিতেও তিনি তার সেরাটা দিয়েছেন। তৃশার (নারী চরিত্র/নায়িকা)ক্ষেত্রেও একই কথা।তার কয়েকটি মাসালা মুভি দেখেছি।অক্ষয় কুমারের সাথে Khatta Mittha মুভিতেও অভিনয় করেছেন।আমি মনেকরি তার ক্যারিয়ার শেষে সেরা চলচ্চিত্রের তালিকায় এটি স্থান করে নিবে। কাকে যেন বলতে শুনেছিলাম, "মারা গেছি সেই ২৫ বছরেই কিন্তু দাফন হবো হয়ত আরো ৫০ বছর পর।" '96 কোন মুভি না। '96 মুভি মৃত আত্মা বয়ে বেড়ানো জীবিত মানুষদের গল্প।



গজদন্তিনী রিভিউ



তরশু রাতে নাটক দেখতে মন চাইলো। যখন গ্রুপ থেকে জানলাম ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে বেশ কিছু ভালো নাটক রিলিজ পেয়েছে। তাই ইউটিউবে সার্চ করতেই "প্রেসক্রিপশনে একগাদা ঔষধের মত" একগাদা সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত নাটকের নাম ভেসে এলো।
একে একে সবগুলো নাটকের নামের উপর চোখ বুলিয়ে যেতে যেতে একটা নামে গিয়ে আটকে গেলাম। "গজদন্তিনী" নামটা বেশ ইন্টারেস্টিং লাগলো। নিশোকে দেখে উৎসাহী হলাম। কিন্তু মেহজাবিনকে দেখে আমার অবচেতন মন আগে থেকেই পুরনো কান্নার দৃশ্য তুলে ধরলো। আর কত এই মেয়েটার কান্নার দৃশ্য দেখবো🙄🙄 মেহজাবিনই বোধহয় একমাত্র নায়িকা, নাটকে যার কান্নার দৃশ্য রাখার জন্য তোড়জোড় থাকে 🤔🤔

যাইহোক দ্বিধা কাটিয়ে নাটকটা দেখতে বসে গেলাম। নাটকের শুরুতেই যখন দেখলাম নিশোর ফুফু বিপদে পড়ে নিশোকে ফোন করে বাসায় ডাকছে--এমন দৃশ্য দেখে হিমুর কথা মনে পড়ে গেল। কিংবদন্তী হুমায়ূন আহমেদের প্রায় সব হিমুর বইয়েই এমনে হিমুকে হিমুর খালা বা ফুফু ডেকে থাকে।

তারপর যখন ফুফু জামাইয়ের কান্ডকারখানা দেখলাম, তখন একদম বুঝে গেলাম নিশোর ক্যারেক্টারটা হিমুর এডাপটেশন। যে কিছু করার আগে মনে মনে কথা বলে নেয়ার অভ্যেস রাখে।
নাটকের একটা ডায়ালগ উল্লেখ করছিঃ
🌿 "কাউকে আধ খাওয়া কফি খেতে বলাটা অভদ্ৰতা। আমি জেনে শুনেই এই অভদ্রতাটা করলাম। আমার উদ্দেশ্য গজদন্তিনীকে বিভ্রান্ত করা। সুন্দরী তরুণীকে পটাতে হলে প্রথম প্রথম তাকে বিভ্রান্ত করতে হয়। এর ফলে তরুণী ঘন ঘন ভাবতে থাকে - লোকটা এমন কেন ? এতে তরুণীর মস্তিষ্কে নিজের একটা অবস্থান তৈরী করে নেওয়া যায়।
কিন্তু আমার এই চালে গজদন্তিনী বিভ্রান্ত তো হলোই না বরং উল্টো আমি নিজেই বিভ্ৰান্ত হয়ে গেলাম। তিনি কফির কাপটা হাতে নিয়ে নির্বিকারভাবে চুমুক দিয়ে কফি খাওয়া শুরু করলেন।” 🌿 এমন ভাবে বাংলা সাহিত্যে একমাত্র হিমুই চিন্তা করতে পারে।

ফুফা চরিত্রে যাকে দেখলাম তার নাম আজিজুল হাকিম। নব্বই দশকের অসাধারণ জনপ্রিয় এক্টর। অনেক দিন পর আজিজুল হাকিমকে দেখে খুব ভালো লাগলো।
শুরুর দিকে আজিজুল হাকিমের নিত্যনতুন কান্ডকারখানায় ভালোই লাগছিলো নাটকটা।

⏩⏩তারপর গৎবাধা ফ্রেমের চিরায়ত ভালোবাসার গল্প। গল্পে নতুনত্ব নেই। একেবারে সাদামাটা।
তবে নাটকের প্রেজেন্টেশনটা ভালোই ছিলো। যা কিংবদন্তী হুমায়ূন আহমেদের গল্প বলার ধরনকে মনে করিয়ে দেয়।⏪⏪

কাহিনিতে গভীরতা নেই। তবে যেটা ভালো লেগেছে তাহলো সংলাপ।
এই দিকটাই খানিকটা আলাদা।
নাটকের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ সংলাপটা হলো "কে তোমাকে ভালোবাসে সেটা দেখার বিষয় না, তুমি কাকে ভালোবাসো সেটাই মুখ্য বিষয়।

নিশোর অভিনয় বেশ এনজয়েবল ছিলো। আজিজুল হাকিমও ছোট্ট ক্যারেক্টারে সপ্রতিভ ছিলেন। নিশোর কলিগ চরিত্রটা বেশ মজার ছিলো " দিলা তো মিয়া মনটা খারাপ কইরা" 😂🤣😂🤣
বাদবাকি মেহজাবিনসহ অন্যান্য চরিত্রগুলো এভারেজ ছিলো। উল্লেখ্য যে নাম নিয়ে নাটকের নাম আদপে মেহজাবিনের কোনো গজদাঁত নাই 😏😏😏😏😏

হ্যাঁ এটা সত্যি বর্তমান সময় অনুযায়ী এই গজদন্তনী নাটকটা আলাদা স্বাদের থাকলেও আদপে এটা একটা এভারেজ নাটক। জাস্ট টাইম পাস করার মত।

নাটকের নামঃ গজদন্তিনী
💠অভিনয়েঃ আফরান নিশো, মেহজাবিন, আজিজুল হাকিম।
পরিচালকঃ মিজানুর রহমান আরিয়ান
💠মুক্তির তারিখঃ ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
🔸🔸🔸আমার রেটিংঃ 5⃣/🔟🔸🔸🔸

Name : Delhi Crime 

Season : 01

Directed by : Richie Mehta


মানুষের মানুষিকতার কতটা বিলোপ সাধন হলে মানুষ এমন কাজ করে। মাঝে মাঝে মানুষ দ্বারা সংগঠিত কাজগুলো পশুর চেয়েও জঘন্য হয়ে যায়। পশুরাও এদের কাছে হার মানে। পশুরা তো সৃষ্টিকর্তার নিয়ম অনুসারে চলতে থাকে। কিন্তু মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব হয়েও এমন সব কাজ করে যা কল্পনার বাহিরে। এই সিরিজটা দেখার সময় তেমনই মনে হলো কিভাবে একটা মানুষ আর একটা মানুষের সাথে এমন জঘন্য কাজ করতে পারে। দিল্লির একটা বাসে ঘটে যাওয়া রেপের ঘটনার উপর তৈরি করা হয়েছে সিরিজটি। সত্যি ঘটনার উপর ভিত্তি করে সিরিজটার কাহীনি গড়ে উঠেছে। আর পাঁচটা পুলিশ ইনভেস্টিগেশনের মুভির/সিরিজের মতো এটাও একই হতে পারতো তবে কেমন যেন এটা দেখতে বসলে আলাদা একটা অনুভূতি কাজ করে। এটা হতে পারে সিরিজের কাহীনির জন্য বা সিরিজে সবার অসম্ভব রকমের সুন্দর অভিনয়ের জন্য বা এর পিওর পারফেক্ট টেকনিক্যাল টিমের কাজের জন্য। অনেক সুন্দর সিনেমেটোগ্রাফি, ক্যামেরার কাজ, সাথে হালকা হালকা BGM , আসলেই অনেক সুন্দর লাগবে। এত মর্মান্তিক একটা ঘটনা পর্দায় দেখার পরে বলবো না যে অসাধারন বা মাস্ট ওয়াচ। তবে যদি দেখার সিদ্ধান্ত নেন বা দেখে থাকেন তাহলে আশাকরি আপনার বিবেকে একবার হলেও নাড়া দিতে পেরেছে বা পারবে এই সিরিজটি...